website-design



Two lakh monthly income by cheating in the name of Imam

ইমাম পরিচয়ে প্রতারণা করে মাসে আয় দুই লাখ

Spread the love

ভুয়া মুফতি ও হাফেজ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। চক্রটি ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতো।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আব্দুল মান্নান শেখ (৪২), মো. কামরুল ওরফে কামরুজ্জামান (৩৪), আসাদুল্লাহ আল গালিব (২৬), মো. আমিনুর রহমান (৩৯) ও (৫) মো. শওকত আলী খান সাগর (৪৩)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইমাম হোসেন এ তথ্য জানান।

ইমাম হোসেন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ঢাকা শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিল।

তারা নামের সঙ্গে মুফতি ও হাফেজ টাইটেল ব্যবহার করতেন। তারা বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীদের কাছে এ পরিচয়ে প্রতারণা করতেন। নিজেকে মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেম পরিচয়ে তারা বলতেন, আমার স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন।

বিল বকেয়া থাকায় টাকার অভাবে হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিতে পারছি না। এভাবে মোটা অংকের টাকা সাহায্য চাইতেন।

সম্প্রতি এভাবে সিআইডির একজন নারী কর্মকর্তাকে মোবাইলে ফোন করেন, মুফতি ও হাফেজ পরিচয় দিয়ে একজন। ফোনে তিনি জানান, সে ঢাকার একটি মসজিদের ইমাম। তার স্ত্রী হাসপাতালে মারা গেছেন।

হাসপাতালের বিল বকেয়া থাকায় স্ত্রীকে দাফন করতে পারছেন না।

এ জন্য তার এক লাখ টাকা প্রয়োজন। রাজধানীর বিভিন্ন টার্গেট ব্যক্তির নাম ঠিকানা ও পদবি জেনে তারপর বড় মসজিদের ইমাম পরিচয় দিয়ে ফোন দিতেন। এভাবে চক্রটি জনপ্রতি ২০/২৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিতেন।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ বিষয়ে সিআইডিতে অভিযোগ করলে অনুসন্ধানে নামে সিআইডি।

অনুসন্ধানে নেমে রাজধানীর মিরপুর পল্লবী থানা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা আব্দুল মান্নান শেখসহ চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। চক্রটি ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতো।

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে বিভিন্ন ক্লাব ও অ্যাসোসিয়েশন মেম্বারদের নাম-ঠিকানা ও ব্যক্তিগত তথ্যসহ মোবাইল নম্বর সম্বলিত ডিরেক্টরি উদ্ধার করা হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, ঢাকা ক্লাব, ঢাকা গলফ ক্লাব, চিটাগাং বোট ক্লাব, বারিধারা কসমোপলিটন ক্লাব, মহাখালী ডিওএইচএস কাউন্সিল ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন মেম্বারদেরসহ মোট ৩৫টি ডিরেক্টরি উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মোবাইলের বিকাশ নম্বরের স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রতি মাসে প্রত্যেকে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা এভাবে হাতিয়ে নিতো। ডিরেক্টরি বইতে থাকা ব্যক্তিদের টাকা দিয়েছে, কে কখন দেবে, কে কেমন ব্যবহার করেছে ইত্যাদি কমেন্ট লিখে রাখতো।

Two lakh monthly income by cheating in the name of Imam
The Criminal Investigation Department (CID) of the police has arrested five people on charges of cheating under the guise of fake Mufti and Hafeez. The clique embezzled millions of rupees a month using religious sentiments.

The arrested persons are- Abdul Mannan Sheikh (42), Md. Kamrul alias Kamruzzaman (34), Asadullah Al Ghalib (28), Md. Aminur Rahman (39) and (5) Md. Shawkat Ali Khan Sagar (43).

CID Additional DIG at a press conference on Tuesday afternoon. Imam Hossain gave this information.

Imam Hossain said that an organized clique had been deceiving themselves for a long time by posing as imams of various mosques in Dhaka city.

They used the titles Mufti and Hafez with their names. They used to deceive various government and private high officials and businessmen in this regard. They used to call themselves Imam-Moazzem of the mosque and say that my wife had died of cancer in the hospital.

I can't take the body from the hospital due to lack of money due to outstanding bill. In this way he would ask for a large sum of money.

Recently, a woman CID officer called on her mobile phone, one with the identity of Mufti and Hafez. He said on the phone that he was the imam of a mosque in Dhaka. His wife died at the hospital.

He is unable to bury his wife as the hospital bill is due.

For this he needs one lakh rupees. Knowing the names, addresses and surnames of different target persons in the capital, he would then call the imam of the big mosque. In this way, he would take the wheel for 20/25 thousand rupees per person.

When people of different classes and professions complained to the CID about this, the CID called for an investigation.
 
The CID raided Mirpur Pallabi Police Station and Turag area of ​​the capital and arrested five members of the gang, including its ringleader Abdul Mannan Sheikh. The clique embezzled millions of rupees a month using religious sentiments.

A directory containing names and addresses and personal information of various club and association members and mobile numbers were recovered from the detainees.

A total of 35 directories including members of Dhaka Gulshan Club, Uttara Club, Dhaka Club, Dhaka Golf Club, Chittagong Boat Club, Baridhara Cosmopolitan Club, Mohakhali DOHS Council and Dhaka University Alumni Association have been recovered.

He further said that after reviewing the statement of the development number of the arrested persons on their mobile phones, it was seen that each of them used to embezzle around one and a half to two lakh rupees every month. The people in the directory book would write down the comments, who would pay when, who used it, etc.