website-design



Parota is being fried in boiling oil, the video is viral

ফোটা ফোটা তেলে ভাজা হচ্ছে পরোটা, ভিডিও ভাইরাল

Spread the love

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েই চলেছে। দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিপাকে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায় হোটেল ও রেস্তোরাঁর ব্যবসায়ীরা।

তেলের দাম বাড়ায় অনেক হোটেলে খাবারের দামও বেড়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন খাবার খেতে আসা মানুষ।

এদিকে ভিন্ন এক পদ্ধতিতে বাড়তি মূল্যে কেনা সয়াবিন তেলে সাশ্রয়ী হতে দেখা গেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মথুরাপুর এলাকার একটি হোটেলে।

এ পদ্ধতি দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। আর এতে বিক্রিও বেড়েছে হোটেল মালিক আব্দুল হামিদের।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) হোটেলে গিয়ে দেখা যায়, দোকান ভর্তি মানুষ।

কেউ পরোটা খাচ্ছেন কেউ আবার পরোটা ভাজা দেখছেন। সবার চোখ দোকানের ওপর থেকে পরটা ভাজার কড়াই পর্যন্ত ঘুরপাক খাচ্ছে।

হোটেলে চুলার সামনে কারিগরের মাথার ওপর একটি বাঁশে সয়াবিন তেলের বোতল ঝুলছে। সেই বোতল থেকে স্যালাইনের পাইপ বেয়ে পড়ছে তেল।

দু-এক ফোটা করে তেল কড়াইয়ে পড়ছে। আর কারিগর ও দোকান মালিক হাসিমুখে পরোটা ভাজছেন।

এমন পদ্ধতিতে পরটা ভাজার বিষয়ে জানতে চাইলে হোটেল মালিক আব্দুল হামিদ বলেন, তেলের দাম বাড়ায় খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই।

গ্রামের দোকান কীভাবে কুলিয়ে উঠবো। শহরের হোটেলে ৫ টাকার পরোটা ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের তো গ্রামের বাজার এত দামে মানুষ পরোটা কিনে খাবে না। আবার পুরি বানাতেও অনেক বেশি তেল লাগে।

সারাদিনে এত তেলের টাকা যোগাড় করতে গেলে হোটেল ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।

এমন সময় স্থানীয় খদ্দের রুহুল পন্ডিৎ আমাকে এ স্যালাইন পদ্ধতিতে পরোটা ভাজার বুদ্ধিটা দেন।

আব্দুল হামিদের স্ত্রী বলেন, আগে শুধু পরোটা ভাজতেই তেল লাগতো তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার।

আবার ডোবা তেলে পুরিসহ অন্য ভাজাপোড়ায় খরচ হতো দুই লিটার। এখন মোট চার কিংবা সাড়ে তিন লিটারেই সব হয়ে যায়।

কারণ এ পদ্ধতিতে পরোটা ভাজলে তেল খরচ খুব কম হয়।

পরোটা খেতে আসা তৌকির আহম্মেদ সিজান বলেন, তেলের দাম এত বেশি বাড়ার কারণে বাসায় আর পরোটা রান্না হয় না। রুহুল ভাইয়ের এমন আবিষ্কার সমাজের জন্য কতটা স্বস্তির তা উপলব্ধি করছি।

মথুরাপুর এলাকার আকাশ হোসেন বলেন, একদম সৃজনশীল একটি চিন্তা। সয়াবিনের উচ্চ দামের দিনে এমন চিন্তা প্রশংসনীয়। আমি আমার বাসায়ও এমন পদ্ধতি চালু করেছি।

বিষয়টি মজার হলেও সয়াবিন নিয়ে হতাশার দিনেও হাসিমুখে পরোটা ভাজা যাচ্ছে। তেল সাশ্রয়ী হচ্ছে।

রুহুল পন্ডিৎ বলেন, হোটেলগুলোতে তেলের খুব অপচয় হয়। তেলের এমন সংকটে অপচয়রোধে এমন চিন্তা করেছি।

নিজের স্থানীয় বাজার থেকে স্যালাইনের পাইপ কিনে এনে সেট করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসছে।

অনেকে এ পদ্ধতি ব্যবহার করছে। পদ্ধতিটা আরেকটু আধুনিক করলে হোটেলগুলোতে তেলের অপচয় কম হবে।

মানুষের ক্রয় ক্ষমতা শক্তিশালী হবে। কারণ দেশে তো একটা জিনিসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সব কিছুর দাম বাড়তে থাকে।

বাংলাদেশ সাম্যবাদী আন্দোলনের পাঠক চক্র ফোরামের ঠাকুরগাঁওয়ের আহ্বায়ক মাহাবুব আলম রুবেল জাগো নিউজকে বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের ভোগান্তির সীমা অতিক্রম করেছে। মানুষকে বিপাকে ফেলেছে।

আব্দুল হামিদের হোটেলে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে তা মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের একটা সুন্দর কৌশল।

কিন্তু সরকার যদি তেল আমদানি না করতে পারে এবং অসাধু সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে তাহলে সয়াবিনের যে সংকট এটি আরও বাড়বে।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করছে। সরকারের দেওয়া নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সাবাইকে তেলের অপচয়রোধ করতে হবে।

Parota is being fried in boiling oil, the video is viral
Soybean oil prices have been rising for the past few weeks. There has been dissatisfaction among buyers as prices have gone out of reach.

Hotel and restaurant traders in different parts of the country are in trouble.

Food prices have also risen in many hotels due to the rise in oil prices. People who come to eat get lost in this.

Meanwhile, soybean oil bought at a higher price in a different way has been found to be cheaper at a hotel in Mathurapur area of ​​Thakurgaon Sadar Upazila.

 People are crowding to see this method. And it also increased the sales of hotel owner Abdul Hamid.

Visiting the hotel on Thursday (March 10), the shop was full of people.

Some are eating parota while others are watching fried parota. Everyone's eyes are rolling from the top of the shop to the frying pan.

A bottle of soybean oil hangs on a bamboo pole over the artisan's head in front of the stove at the hotel. Oil is flowing from that bottle to the saline pipe.

A drop or two of oil is falling in the pan. And artisans and shop owners are frying parota with a smile.

When asked about frying paratha in such a manner, hotel owner Abdul Hamid said, "I am very worried about the increase in oil price."

How to open a village shop. Parota of 5 rupees is being sold at 10 rupees in city hotels. But in our village market, people will not buy parota at such a high price. It takes a lot of oil to make puri again.

If you want to earn so much oil all day long, you have to close the hotel business and not eat with your family.

At that time, the local customer Ruhul Pandit gave me the idea of ​​frying parota in this saline method.

Abdul Hamid's wife said that before, only frying parota required three to three and a half liters of oil.

Again, two liters would be spent on other frying pots including puri in dipped oil. Now all is done in a total of four or three and a half liters.

Because in this method the oil consumption is very low.

Taukir Ahmed Sijan, who came to eat parota, said that because of the high price of oil, parota is no longer cooked at home. I am realizing how much relief such a discovery of Ruhul Bhai is for the society.

Akash Hossain of Mathurapur area said, it is a very creative thought. Such a thought on the day of high price of soybean is commendable. I have introduced the same method in my home.

Although the subject is funny, even in the days of frustration with soybeans, the parota is being fried with a smile. Oil is being affordable.

Ruhul Pandit said that oil is wasted in hotels. I have thought of preventing waste in such an oil crisis.

I bought a saline pipe from my local market and set it up. Now calls are coming from different places.

Many are using this method. If the system is made a little more modern, the waste of oil in hotels will be less.

People's purchasing power will be strong. Because in the country, with the increase in the price of one thing, the price of everything increases.

Mahabub Alam Rubel, convener of Pathak Chakra Forum of Bangladesh Samyabadi Andolan, Thakurgaon, told Jago News that the rise in commodity prices in the country has exceeded the limits of human suffering. It has made people miserable.

The method being used in Abdul Hamid's hotel is a beautiful strategy for the struggle for human survival.

But if the government can't import oil and control the rogue syndicate, the soybean crisis will only get worse.

Thakurgaon Deputy Commissioner Mahbubur Rahman told Jago News that district magistrates and executive magistrates are monitoring the market every day to control the market. Legal action is being taken against him for selling soybean oil at a price higher than the price fixed by the government. At the same time everyone has to stop wasting oil.